বিদেশে ঘাম ঝরিয়ে আয় করছেন। দেশে সেই টাকা কি আপনার জন্য কাজ করছে?
প্রতি মাসে টাকা পাঠান। দশ বছর পর হিসাব মেলালে অনেকে দেখেন, নিজের নামে আয় দেওয়ার মতো তেমন কিছু নেই। আয় কম ছিল না। কোন টাকা কোথায় রাখলে তা আপনাকে আয় এনে দেবে, সেই পরিকল্পনাটা ছিল না।
প্রবাসের টাকা যেখানে হারিয়ে যায়
এগুলো কারো দোষ না। স্কুলে কেউ শেখায়নি কোন টাকা খরচের, কোন টাকা বিপদের, আর কোন টাকা ভবিষ্যতের।
পাঠানো টাকা খরচেই মিলিয়ে যায়
সংসার, ভাইবোনের পড়াশোনা, বিয়ে, চিকিৎসা, আত্মীয়ের বিপদ। প্রতিটা খরচই জরুরি, প্রতিটাই ভালোবাসার।
কিন্তু জমার জন্য আলাদা কোনো ভাগ না থাকলে, যত বছরই বিদেশে থাকুন, পাঠানো টাকার প্রায় পুরোটা খরচের খাতাতেই চলে যায়।সব টাকা দিয়ে একটা বড় বাড়ি
জীবনের জমানো প্রায় সব টাকা দিয়ে গ্রামে বড় একটা বাড়ি। গর্বের জিনিস, পরিবারের স্বপ্ন।
কিন্তু নিজের থাকার বাড়ি মাসে একটা টাকাও আয় দেয় না, উল্টো রং আর মেরামতের খরচ চায়। তারপর আবার শূন্য থেকে শুরু, আর এবার বয়স আর শরীর আগের মতো সঙ্গ দেয় না।বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছিলেন
আত্মীয় বা বন্ধুর ব্যবসায়, "মাসে মাসে লাভ দেবো" কথায়। মানুষটা খারাপ না, কিন্তু হিসাব নেই, কাগজ নেই।
দূর থেকে সেই টাকা ফেরত আনা প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়। টাকা যায়, অনেক সময় সম্পর্কটাও যায়।টাকা আছে, পরিকল্পনা নেই
হাতে কিছু টাকা জমলেই মনে হয় কিছু একটা কিনে ফেলি। কোনটা আগে, কোনটা পরে, বিপদের টাকা আলাদা আছে কিনা, এসব না ভেবেই।
তখন সিদ্ধান্ত হয় পাশের মানুষের কথায় বা বিজ্ঞাপন দেখে, নিজের প্রয়োজন মিলিয়ে না।"আর কয়েকটা বছর"
প্রতি বছর ভাবেন, আর দুই বছর থেকে দেশে ফিরবো। সেই দুই বছর শেষ হয় না।
কারণ দেশে ফিরলে মাসের খরচ কোথা থেকে আসবে, এই প্রশ্নের উত্তর হাতে নেই। প্রবাস তখন আর পছন্দ থাকে না, বাধ্যতা হয়ে যায়।দূর থেকে কিনে ঠকে যাওয়া
ছুটিতে এসে তাড়াহুড়া করে বায়না, ছবি-ভিডিও দেখে জমি, কারো ব্যক্তিগত নম্বরে টাকা।
পরে দেখা যায় কাগজে ঝামেলা, জমি অন্যের দখলে, বা প্রজেক্ট বছরের পর বছর আটকে আছে।এর একটাও যদি আপনার সাথে মিলে যায়, সমস্যাটা আপনার আয়ে না।সমস্যাটা হলো আয়ের টাকা কোথায় যাচ্ছে, তার পরিকল্পনায়। আর এই জায়গাটা ঠিক করা যায়।
আয় করা আর সম্পদ গড়া এক জিনিস না
প্রবাসে আপনি আয় করেন শরীর আর সময় দিয়ে। যেদিন থামবেন, আয়ও থামবে। সম্পদ হলো সেই জিনিস, যেটা আপনি থামলেও আপনার জন্য কাজ করে যায়।
যেখানে টাকা আটকে যায় বা হারায়
- নিজের থাকার জন্য প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বড় বাড়ি
- কারো ব্যবসায় হিসাব আর কাগজ ছাড়া টাকা
- "দ্বিগুণ লাভ"-এর প্রতিশ্রুতি
- বিক্রি করা কঠিন বা কাগজে ঝামেলা আছে এমন জমি
যেখানে টাকা আপনার নামে থেকে বাড়ে
- ভাড়া দেওয়া যায় এমন দোকান বা ছোট ফ্ল্যাট
- যাচাই করা কাগজের, ঠিক জায়গার জমি
- প্রথমে বিপদের দিনের আলাদা টাকা, তারপর সম্পদ
- প্রতিটা সম্পদের দলিল আপনার নামে, হিসাব আপনার হাতে
কারো কাছে টাকা দিলে আপনি তার বিশ্বাসের উপর নির্ভর করেন। সম্পদ কিনলে সেটা থাকে আপনার নামে, আপনার দলিলে। আপনি বিদেশে থাকলেও সেটা আপনার জন্য ভাড়া আনতে পারে, দাম বাড়তে পারে, আর দেশে ফেরার দিন আপনার পাশে দাঁড়ায়।
প্রবাসের বছরগুলোই আপনার "সাত বছর"
ইউসুফ (আ.) মিশরের জন্য পরিকল্পনা দিয়েছিলেন: ভালো সাত বছরে জমাও, অল্প খাও, কঠিন দিনের জন্য রাখো, আর বীজ কখনো খেয়ো না।
প্রবাসের আয়ের বছরগুলোও তেমনই। এই সময়টা একবারই আসে। এখন যা জমিয়ে আয় দেওয়া সম্পদে রাখবেন, সেটাই দেশে ফেরার পরের বছরগুলোতে আপনাকে খাওয়াবে।
সমস্যা থেকে সমাধান, ধাপে ধাপে
আমরা প্লট বিক্রি করি না, কোনো প্রজেক্টের এজেন্টও না। আগে আপনার টাকা গোছাতে শেখাই, তারপর আপনার জন্য ঠিক সম্পদটা খুঁজে মাঠে যাচাই করি।
সমাধান: টাকা কোথায় যাচ্ছে
খেলতে খেলতে নিজেকে চিনুন
The Asset Journey একটা ছোট খেলা। ইউসুফ (আ.)-এর শস্যভান্ডারের গল্প ধরে পাঁচটা স্টেশন পার হবেন, সহজ প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দানা জমাবেন, ব্যাজ পাবেন। শেষে পাবেন নিজের রিপোর্ট: কোথায় আপনি এগিয়ে, কোথায় একটু নজর দরকার, আর ৯০ দিনের সহজ পথ। ফ্রি, ১২–১৫ মিনিট।
খেলা শুরু করুন →সমাধান: পরিকল্পনা নেই
টাকা গোছানো শিখুন
কোন টাকা খরচের, কোনটা বিপদের, কোনটা সম্পদের। Class 01 আর 02 ফ্রি, Class 03–05 কোর্সে সম্পদ চেনা আর কেনার আগের যাচাই।
ক্লাসগুলো দেখুন →সমাধান: কী কিনবো
১:১ পরিকল্পনা
আপনার আয়, পরিবার, ফেরার সময় আর বাজেট মিলিয়ে কোন সম্পদ মানানসই, আর কোনটা এখন না। ভিডিও কলে, আপনার দেশের সময়ে।
১:১ বুক করুন →সমাধান: দূর থেকে ঠকা
মাঠে যাচাই করে কেনা
আমরা আপনার চোখ হয়ে মাঠে যাই, কাগজ যাচাই করি। টাকা যায় সরাসরি বিক্রেতার কাছে, দলিল হয় আপনার নামে।
Advanced দেখুন →আপনি বিদেশে, কাজ চলে মাঠে
প্রথম কথা
WhatsApp-এ, আপনার দেশের সময় মিলিয়ে।
ভিডিও কলে ১:১
আপনার প্রয়োজন, পরিবার, সময় আর বাজেট বোঝা।
মাঠে আমরা
এলাকা আর প্রজেক্টে নিজে গিয়ে দেখা; ছবি, ভিডিও আর লিখিত বিবরণ পাঠানো।
কাগজ যাচাই
মালিকানা আর চুক্তি; দরকারে অভিজ্ঞ আইনজীবী।
টাকা সরাসরি
প্রপার্টির টাকা আপনি সরাসরি বিক্রেতা বা কোম্পানিকে পাঠান।
ছুটিতে দেশে আসছেন?
আগে থেকে জানালে খোঁজা আর শর্টলিস্টের কাজ আগেই এগিয়ে রাখা যায়। ছুটির দিনগুলো তখন শুধু শর্টলিস্ট করা জায়গা দেখায় যায়, ঘোরাঘুরিতে না।
যেখানেই থাকুন
যেসব দেশে থাকা বাংলাদেশিদের সাথে আমরা সবচেয়ে বেশি কথা বলি:
দূর থেকে কেনার চারটা ফাঁদ
শুধু আত্মীয়ের ভরসা
ভালো মানুষ, কিন্তু জমির কাগজ বা ডেভেলপার যাচাইয়ে অভিজ্ঞ নাও হতে পারেন।
ছবি-ভিডিও দেখে সিদ্ধান্ত
ব্রোশিউর আর ভিডিও সুন্দর হয়। মালিকানার শিকল আর মাঠের বাস্তবতা সেখানে থাকে না।
ছুটিতে এসে তাড়াহুড়া
অল্প কয়েক সপ্তাহের ছুটি, তাই "এই সপ্তাহেই বায়না" চাপে সিদ্ধান্ত হয়ে যায়।
টাকা ভুল হাতে
কারো ব্যক্তিগত নম্বরে টাকা পাঠানো, যার কোনো পরিষ্কার হিসাব থাকে না।
যা জানতে চান
আমি তো বাড়ি করে ফেলেছি। এখন কী করবো?
কোনো সমস্যা নেই, থাকার জায়গা দরকারি জিনিস। এখন থেকে যা আয় করবেন, তার একটা নির্দিষ্ট ভাগ আলাদা করে আয় দেওয়া সম্পদের দিকে নেওয়া শুরু করুন। কত টাকা, কোথায়, কোন ক্রমে, সেটা ১:১-এ আপনার অবস্থা মিলিয়ে ঠিক করা যায়।
আমার টাকা কি আপনাদের হাতে দিতে হবে?
না। প্রপার্টির টাকা কখনো আমাদের হাতে আসে না। আপনি সরাসরি বিক্রেতা বা কোম্পানিকে পাঠান, দলিল হয় আপনার নামে। আমরা শুধু আমাদের পরামর্শ আর যাচাইয়ের ফি নিই, লিখিতভাবে।
আগে কাউকে টাকা দিয়ে ফেরত পাইনি। আবার ঝুঁকি নিতে ভয় লাগে।
এই ভয়টা স্বাভাবিক। তাই আমরা আগে শেখাই, আর ছোট একটা খেলায় আপনার পথটা চিনিয়ে দিই, কেনার কোনো চাপ ছাড়া। যখন কিনবেন, তখন সম্পদ থাকবে আপনার নামে, কারো প্রতিশ্রুতির উপর না।
আমার আত্মীয় দেখছেন, তবুও কি দরকার?
আত্মীয়ের চোখ আর আমাদের যাচাই একসাথে থাকলে সবচেয়ে ভালো। আমরা তাঁদের সাথেও কাজ করতে পারি, যাতে কোন কাগজ দেখা হলো আর কোনটা বাকি, পরিষ্কার থাকে।
সময়ের পার্থক্য থাকলে কথা কখন হবে?
আপনার দেশের সময় মিলিয়ে কল ঠিক করা হয়। বাকি আপডেট WhatsApp-এ লিখিত আর ছবি-ভিডিওসহ যায়, যাতে আপনি সুবিধামতো দেখতে পারেন।
ফি কীভাবে দেবো?
পেমেন্টের নিয়ম WhatsApp-এ জানিয়ে দেওয়া হয়, লিখিতভাবে। সাইটে কোনো পেমেন্ট নেওয়া হয় না, আর প্রপার্টির টাকা কখনো আমাদের হাতে আসে না।
শুধু শিখতে চাই, এখনই কিনছি না।
তাহলে ফ্রি ক্লাস, ই-বুক আর The Asset Journey দিয়ে শুরু করুন।
আজ ১২ মিনিট একটা খেলা খেলুন
মজায় মজায় চিনে নিন, প্রবাসের আয় থেকে নিজের সম্পদ গড়ার পথে আপনি কোথায় আছেন, আর পরের ধাপ কোনটা। ফ্রি, টাকার অঙ্ক বলতে হয় না।